গভীর রাতে একটি অত্যন্ত গোপনীয় অভিযান চালিয়ে দুই ব্যক্তিকে গ্রে/প্তা/র করেছে ত্রিশাল থানা পুলিশ।
ঘটনাটি ঘটেছে ত্রিশাল থানাধীন বীররামপুর আটিপাড়া গ্রামের জনৈক ইজ্জত মেম্বার এর বাড়ীর সামনে পাকা রাস্তার উপর।
ঘড়ির কাঁটা তখন রাত প্রায় ১০:৫০ মিনিট। এলাকায় তখন গভীর নীরবতা। এই নিরবতাকে ভঙ্গ করে পুলিশের একটি বিশেষ দল অত্যন্ত দ্রুততার সাথে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য ছিল যে, একটি মা/দ/ক-পা/চা/র চক্র এই স্থানটিকে লেনদেনের জন্য ব্যবহার করছে।
অপারেশন ও গ্রে/প্তা/র :
পুলিশের উপস্থিতিতে মা/দ/ক ব্যবসায়ীদের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। দ্রুততম সময়ে পুলিশ সন্দেহভাজন দুই যুবক— আব্দুল্লাহ আল মামুন (২২) এবং তানভীর হাসান (২২)-কে হাতেনাতে ধরে ফেলতে সক্ষম হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামীদের দেহ এবং তাদের কাছে থাকা জিনিসপত্র তল্লাশি করে উদ্ধার করা হয়:
৭০ (সত্তর) পিচ ই/য়া/বা ট্যাবলেট
মা/দ/ক বিক্রির কাজে ব্যবহৃত ২ টি মোবাইল ফোন
১টি রেজিস্ট্রেশন নম্বর বিহীন অ্যাপাচি আরটিআর ১৫০ সিসি মোটরসাইকেল, যা পাচারের কাজে ব্যবহার হচ্ছিল।
একজন পলাতক :
তবে অভিযানের সুযোগ নিয়ে চক্রের প্রধান হোতাদের মধ্যে একজন রেজাউল করিম নোমান (৩৩), পুলিশের চোখ এড়িয়ে ঘটনাস্থল থেকে দ্রত পালিয়ে যায়। এই পলাতক আসামীকে গ্রে/প্তা/রের জন্য পুলিশ জোর প্রচেষ্টা শুরু করেছে।
উদ্ধার হওয়া ই/য়া/বা ট্যাবলেট, মোবাইল ফোন এবং মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে। এই ঘটনাটি ত্রিশাল এলাকায় মা/দ/ক/বিরোধী অভিযানে একটি বড় সাফল্য হিসেবে দেখা হচ্ছে।
পরবর্তী পদক্ষেপ:
পলাতক আসামী রেজাউল করিম নোমানকে দ্রুত গ্রে/প্তা/র করতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।